শীতে আসবাবপত্রের যত্নআত্তি

0

দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। আবহাওয়া একটু একটু করে ঠাণ্ডা হতে শুরু করেছে। সকালে ঘাসের ওপর পড়ন্ত কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীত ঋতু আসছে। দূর্বার ডগায় শিশির জমে সূর্যের কিরণে তা চিকচিক করতে শুরু করেছে এখন থেকেই।

শীতকে সামনে রেখে পরিবর্তন আসবে পোশাক ও সাজসজ্জায়। সব কিছুর নিতে হবে আলাদা যত্ন। নিজ সাজসজ্জার সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে গৃহের আসবাবের দিকে। তাই এখন থেকে শীতের গৃহসজ্জার প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

শীতের শুরুতেই বাসার সব আসবাব-পত্রগুলো মুছে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। ফার্নিচারগুলো আকর্ষণীয় করতে নতুন করে রঙ বা পলিশ করে নেওয়া যায়। কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে, দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করা উচিত। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন। এছাড়া বার্নিশ এর পরিবর্তে নানা টেক্সচার এর উড কালার ব্যবহার করেও আসবাবে নতুনত্ব আনতে পারেন।

ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশ এর রং হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য প্রয়োজনে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

অনেকের বাসস্থানেই আসবাবের একটি বড় শত্রু হিসেবে দেখা দেয় নানা রকম পোকামাকড় যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকার উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তে হয় প্রায়শই। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করা যেতে পারে।

Share.

Leave A Reply

fifty one ÷ = 17