শিরোপার প্রত্যাশা বাড়লেও বাড়েনি ভালো ফুটবলার

0

সংখ্যা
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ফুটবল একদিকে যেমন সাফল্য কিংবা জনপ্রিয়তার অন্যতম শিখরে রয়েছে, দেশীয় ফুটবলাররা ঠিক এর বিপরীত দিকে। তবুও ফুটবল যে সবার কাছে পেশা হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় এর প্রমাণ পাওয়া যায় প্রিমিয়ার দলবদলের সময়। একটু ভালো খেলতে পারলেই নিজেদের জন্য উচ্চমূল্য হাঁকিয়ে বসেন ফুটবলরার। ক্লাবগুলোরও বেশী কিছু করার থাকে না ক্যাননা খেলোয়াড় সংকট থাকলেও শিরোপা বিজয়ী দল গড়া চাই সাত দলের!

বর্তমান পেশাদারী যুগের পূর্বে শক্তিশালী দল গঠন করত দেশীয় চারটি বিশেষ ক্লাব- ঢাকা আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং, মুক্তিযোদ্ধা ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। পেশাদারী যুগে এসে এই শক্তিশালী দলের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে সাতটিতে- আবাহনী, শেখ জামাল ধানমন্ডি, চট্টগ্রাম আবাহনী, সাইফ স্পোর্টিং, মোহামেডান, শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ও নবাগত বসুন্ধরা কিংস।

আরামবাগ কোচ মারুফুল হক মনে করেন, ‘বাজারে অনেক ভালো খেলোয়াড় থাকলে দর-দামেও একটা যৌক্তিক এবং স্থিতিশীল অবস্থা থাকতো। খেলোয়াড়দের নিয়ে টানাটানি হলে তারা সুযোগ নেবেই। এজন্য দরকার খেলোয়াড় তৈরীর ব্যবস্থা করা। আমাদের এই অঞ্চলের প্রায় সব দেশ তৃণমূল থেকে ফুটবল স্কুলিং শুরু করেছে। আমাদের সেই ব্যবস্থা নেই বলেই আজ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এইসব ক্লাবে একাডেমিক কালচার নেই, ফুটবল ফেডারেশান চালু করেও সঙ্গতির অভাবে চালান্যো সম্ভব হয়নি।

সংকটের আরেকটি বিশেষ কারণ বলে বিবেচিত ঢাকার বাইরে জেলা লিগগুলো একদম বন্ধ থাকা। নিয়মিত খেলা না হবার কারণে নতুন খেলোয়াড় উঠে আসছে না বলে মনে করেন অনেকে। আশি-নব্বই এর দশকে একাডেমিক ব্যবস্থা প্রণোদিত কার্য-বিধি না থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর বিভিন্ন জায়গা থেকে দুর্দান্ত ফুটবলাররা ঢাকায় আসতো। নিয়মিত খেলা হবার কারণে অনেক ফুটবলার পাওয়ার পাশাপাশি প্রতিভাবান ফুটবলারের অভাব ছিলো না তখন।

বাফুফের বর্তমান কমিটির নির্বাচনী ইশতেহারে জেলা ফুটবল চালুর প্রতিশ্রুতি থাকলেও এখনও করতে পারেন নি তারা। জেলা কমিটি গঠন করলেও নেই কোনো কার্যক্রম। বিধায় দেশের শীর্ষ ফুটবল পড়েছে কঠিন খেলোয়াড় সংকটে।

সূত্রঃ কালেরকন্ঠ

Share.

Leave A Reply

fifty two ÷ = thirteen