মোহাম্মাদপুরে ১৪ হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

0

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আদালত কর্তৃক বন্ধের নির্দেশ পেয়েছে ১৪ টি হাসপাতাল। লাইসেন্সবিহীন এসব হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ পেলেও সেরকম কোন পদক্ষেপই এখনো গ্রহণ করেনি বন্ধের নির্দেশ পাওয়া হাসপাতালগুলো।

বন্ধের নির্দেশ পাওয়া সেই ১৪টি হাসপাতাল হল, বিডিএম হাসপাতাল, সেবিকা জেনারেল হাসপাতাল, জনসেবা নার্সিং হোম, লাইফ কেয়ার নার্সিং হোম, রয়্যাল মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল, নবাব সিরাজউদ্দোলা মেন্টাল হাসপাতাল, মনমিতা মেন্টাল হাসপাতাল, প্লাজমা মেডিক্যাল সার্ভিস অ্যান্ড ক্লিনিক, শেফা হাসপাতাল, ইসলামিয়া মেন্টাল হাসপাতাল, মক্কা মদীনা জেনারেল হাসপাতাল, নিউ ওয়েল কেয়ার হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ট্রমা স্পেশালাইজড হাসপাতাল। এসব হাসপাতালগুলো সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের বিপরীতে বাবর রোড ও খিলজি রোডে অবস্থিত। লাইসেন্সবিহীন এসব হাসপাতাল অবিলম্বেই এতকাল চিকিৎসা দিয়ে আসছিলো।

একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের সূত্র ধরে আদালতে রিট আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সেই রিট আবেদনের শুনানি শেষে লাইসেন্সবিহীন তথাকথিত এই ১৪টি হাসপাতাল অবিলম্বে বন্ধের আদেশ দেন বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

নিয়ম না মেনে ছোট একটি কক্ষ অথবা বহুতল ভবনে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠেছে এসব হাসপাতাল। প্রায় প্রতিটি হাসপাতালের সামনে ঝুলছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নামসংবলিত বোর্ড। তবে কোনও হাসপাতালে গিয়ে বিশেষজ্ঞ কোনও চিকিৎসকের দেখা মেলেনি। হাসপাতালের কর্মীদের মতে, রোগী আসার খবর দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসে রোগী দেখে যান। তবে বন্ধের নির্দেশ পাওয়া এই হাসপাতালগুলোর কিছু কিছু জানান তারা সকল নিয়ম এবং আইন মেনেই তাদের হাসপাতাল পরিচালনা করছেন এবং তারা আইনীভাবেই এই রিটের জবাব দেবেন।

এই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও র্যা বের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের রায় প্রদানদানকারী বেঞ্চ। তবে এতসময় পার হবার পরেও কোনও কর্তৃপক্ষকে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

Share.

Leave A Reply

÷ seven = one