‘ব্যবসায়িক তথ্য বিশ্লেষণ’ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

0

নতুন কিছু ডেস্ক।।

মাইক্রোসফট এক্সেলের মাধ্যমে ব্যবসায়কি তথ্য বিশ্লেষণের নিয়ম-কানুন ও কলাকৌশলসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।   ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগানে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) বিজয় ক্যাম্পাসের কম্পিউটার ল্যাবে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালাটির উদ্যোক্তা এসইউবি’র বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক এজাজ জামান। তিনি কর্মশালাটি পরিচালনা করেন।   কর্মশালার শুরুতে বক্তব্য রাখেন এসইউবি’র উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল কবীর ও  বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের প্রধান প্রফেসর মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) কামরুজ্জামান।   বেলা দুইটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চলা এ কর্মশালায় বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের বিবিএ ও এমবিএ’র ৩১ শিক্ষার্থী অংশ নেন।   এছাড়াও এসইউবি’র কয়েকজন এক্সিকিউটিভও অংশ নেন।

নতুন কিছু ডট কমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্য বিশ্লেষণ করার কাজে মাইক্রোসফট এক্সেল-এর ব্যবহার খুবই জনপ্রিয়। পরিসংখ্যানবিদ, ব্যবসায়ীসহ অনেকেই এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে থাকেন। বর্তমানে মাইক্রোসফট এক্সেল এর জনপ্রিয়তার কারণে লোটাস সফটওয়্যারটি প্রায় বিলুপ্তির পথে। আর গ্রাফ তৈরির জন্যও বর্তমানে এক্সেল বর্তমানে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয, ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডাটা এন্ট্রির সময়ও মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করতে হয়।  কারণ কখনো কখনো ক্লায়েন্ট তার কাজ চান এক্সেল অথবা এক্সেস ফরম্যাটে। সে কারণে এক্সেল ব্যবহারের সাধারন ধারণা থাকলে কাজের পরিধি বিস্তৃত হতে পারে।

প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীরা কী শিখেছে:

মাইক্রোসফট এক্সেল হচ্ছে একটি স্প্রেডশীড সফটওয়্যার যা জানা বিজিনেস গ্রাজুয়েট দের জন্য খুবই জরুরি। কারণ, সকল প্রকার ব্যবসা বাণিজ্যের হিসাব- নিকাশের যাবতীয় কার্যাবলী এক্সেলের মাধ্যমে করা যায়। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা শিখেছে কীভাবে মাইক্রোসফট এক্সেল ব্যবহার করে ব্যবসায়ের সকল হিসাবের বিভিন্ন প্রকার বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। ছাত্রছাত্রীরা আরও শিখেছে কীভাবে দৈনিক আয়-ব্যয়ের হিসাব, ব্যবসায়িক হিসাব থেকে শুরু করে ষ্ট্যাটিসটিকাল এনালাইসিস করতে হয়।

ছাত্রছাত্রীরা আরও শিখেছে:

কীভাবে কোন তথ্য বা ডাটা উচ্চ বা নিম্নক্রম অনুসারে সাজানো যায়।

কীভাবে সকল প্রকার হিসাবের তথ্যাবলী সরক্ষণ, সম্পাদন, মান যাচাই করা যায়।

কীভাবে ডাটাবেস কার্যাবলী সম্পাদন করা যায়।

কীভাবে বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা করা যায়।

কীভাবে গাণিতিক তথ্যকে চিত্র হিসেবে তুলে ধরা যায়।

Share.

Leave A Reply

+ thirty four = thirty nine