বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

0

নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে অবিরাম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল, তার ক’দিন আগেই টেস্ট ক্রিকেটের ১৫ বছর পূর্তির দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করলো।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। জুলাই, ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দলটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। এতে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ দলের বিপক্ষে দু’টি খেলায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছিল ২০১৭ সালের আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বাছাই পর্বের চতুর্থ আসরের এ প্রতিযোগিতাটি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হয়। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব হিসেবে এ বাছাইপর্ব প্রক্রিয়া চলে।

সম্প্রতি মেয়েদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিলেও এখনো পর্যন্ত একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নেয়া হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশের নারী জাতীয় দলের।তবে বাংলাদেশে নারী ক্রিকেট এখনো জনপ্রিয়তার দিক থেকে পুরুষদের ক্রিকেটের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। যে কারণে নতুন খেলোয়াড়ও তৈরি হচ্ছে কম। ক্ক্রিরিকেট দলের অধিনায়ক জাহানারা আলম বলছেন, নতুন খেলোয়াড় তৈরি করাটা এখন দলের জন্য বেশি প্রয়োজন। ঘরোয়া লিগগুলো যদি আরো বেশি বেশি করে হয়, তাহলে আমরা প্লেয়ার পাবো। নারী ক্রিকেটের সাথে জড়িত সবাই নতুন খেলোয়াড় বের করে আনার দিকেই বেশি জোর দিচ্ছেন।”

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় এবং এখন দলে সমন্বয়কারি হিসেবে কাজ করেন পারভিন নাসিমা নাহার পুতুল। তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মেয়েরা অনেক ভাল করলেও দেশের সংবাদ মাধ্যমে তার প্রকাশটা সেভাবে হচ্ছে না। ‘টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ভাল করলেও সংবাদমাধ্যমে কাভারেজ পায়নি। এটা কিন্তু দু:খজনক। ছেলে ক্রিকেটারদের যেমন বড় বড় ছবি ছাপানো হচ্ছে এবং অনেক কিছু করা হচ্ছে। মেয়েদের বেলায় তা করা হচ্ছে না।”

দেশের নারী ক্রিকেট দলের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণ ও প্রচুর উৎসাহ। অতীতের তুলনায় বর্তমানে ক্রিকেট দলের এগিয়ে যাওয়ায় আনন্দিত পুরো দেশবাসী তবে বাংলাদেশের মেয়েরা এখন ওয়ানডে’তে ভাল খেলছে। কিন্তু তিন বা পাঁচদিনের খেলায় ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে ক্রিকেট বোর্ড দীর্ঘ খেলার আয়োজনেরও পরিকল্পনা নিয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ এনে দিতে পারে দেশের সাফল্য। ছেলেদের পাশা পাশি নারী ক্রিকেট দলেরও সমান প্রাধান্য প্রয়োজন।

 

Share.

Leave A Reply

two × 1 =