বইমেলার ব্যাপ্তি আরো প্রসারিত হচ্ছে

0

আমিনুল ইসলাম নাবিল

অমর একুশে গ্রন্থমেলা আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার। রক্ত ঝড়া একুশ আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে।

ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বইপোকা পাঠকদের ভির জমে বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এ যেন এক মিলন মেলা। বইমেলা হয়ে উঠেছে জাতিয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে। বই মানুষের হৃদয়কে সুন্দর করে। জীবনকে সমৃদ্ধ করে। চির তারুণ্যের প্রতীক হয়েছে বই। যার বাস্তব প্রমাণ আমাদের একুশে বইমেলা। মানুষ বই কিনছে,বই পড়ছে।

এবারের বই মেলায় এসেছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বই “হালুম” তেমনি আবার এসেছে কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক এর ফেইসবুক কৌতুক। এছাড়াও আব্দুল হক খন্দকারের বিচিত্রপত্র পদার্থ, আলী ইমামের অদ্ভুত যত ভূত, মোস্তাক আহমেদের বুদ্ধির গণিত মজার ধাঁধা, অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরীর ক্যান্সার, খান শাহিনের শিশির ভেজা একুশ, রফিকুর রশীদের বঙ্গবন্ধু ও সাতই মার্চের ছবি, আসলাম সানীর স্বর্গের ছায়াতলে, শিলু জামানের সুদীপ্তা, আনোয়ার কামালের এই সময়ের গল্প, মো: মোসলেহ উদ্দিন এর পোশাক পাগল রাজা সহ আরো অসংখ্য বই।

মেলাকে কেন্দ্র করে সুদৃঢ় হচ্ছে আমাদের মেলবন্ধন। লেখক, পাঠক, প্রকাশক একবিন্দুতে এসে মিলিত হচ্ছেন। শুধু দেশীয়রাই নন, প্রবাসীরাও এসে শামিল হচ্ছেন এই উৎসবে।

আজকের এই অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলত যাত্রা শুরু হয় ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। আজও এর ধারা বহমান। যা দিন দিন আরো গোছালোভাবে হচ্ছে। বইমেলার ব্যাপ্তি আরো প্রসারিত হচ্ছে। বইয়ের প্যাভিলিয়নগুলো সেজেছে দারুনভাবে। আইন শৃংখলা বাহিনীও রয়েছে যথেষ্ট তৎপর।

Share.

Leave A Reply

− 3 = one