প্রথমবারের মতো গাড়িচালক সৌদি নারীরা

0

দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পদক্ষেপ হিসেবে আজ থেকে প্রথমবারের মতো রাস্তায় গাড়ি চালানোর বৈধতা পেয়েছেন সৌদি নারীরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক আদেশ জারির মাধ্যমে এ বৈধতা দেয় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

ইতোমধ্যে ৫ জুন থেকে ১০ জন নারীকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৪ জুনের মধ্যে প্রায় ২০০০ জন নারীকে প্রাথমিক লাইসেন্স প্রদান করা হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও দেশটির অর্থনীতিতে যেন অবদান রাখতে পারে ও তেল বাণিজ্য নির্ভর অর্থনীতিকে গতিশীল করে দেশটির অর্থনীতিকে বহুমুখী করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নারীদের অধিকার বাস্তবায়নে দেশটির অর্থনীতি যেমন সম্প্রসারিত হবে, অন্যদিকে সামাজিকভাবেও নারীরা মুক্তি পাবে।

শুধু সৌদি আরবেই এতদিন নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার ছিলো না। আইন ভঙ্গ করে যদি কোন নারীরা রাস্তায় গাড়ি চালাত, তাহলে তাঁদের জেল-জরিমানা করা হতো।

ভিশন ২০৩০ কে সামনে রেখে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ইতোমধ্যে অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছেন। তারমধ্যে দেশটিতে গত বছর সংস্কৃতি চর্চাকে বাড়াতে সিনেমা হলের অনুমোদন দিয়েছে।

ইফফাত বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান হাইফা জালালি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে সড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ দেশ সৌদি আরব। গাড়ি চালানোর জন্য প্রয়োজন সুস্থ মস্তিষ্ক। আর নারীদের তা রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি সতর্ক হয়ে গাড়ি চালায়।

জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম উবার অ্যাপ্সও নারী ড্রাইভারকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Share.

Leave A Reply

+ seventy one = eighty