প্রত্যেক জেলায় শিশু আদালত গঠনের বিল পাস

0

দেশের প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক শিশু আদালতের বিধান রেখে ‘শিশু (সংশোধন) আইন -২০১৮’ বিলটি পাস হয়েছে। সোমবার(২২ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।

শিশুদের অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। জাতীয় সংসদে প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর কন্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

আইনের ১৫ ধারা সংশোধনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য আইনে যা-ই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধের সঙ্গে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে পুলিশ প্রতিবেদন, অনুসন্ধান প্রতিবেদন বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্ত বয়স্ক ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক ও শিশুর অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রেও পৃথকভাবে নিতে হবে।

১৫(ক) ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করে বলা হয়েছে, শিশুর অপরাধ বিচারের জন্য মামলা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ শিশু আদালতে পাঠাতে হবে।

বিলে বলা হয়েছে, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু কর্তৃক সংঘটিত যে কোনো অপরাধের বিচার করার জন্য প্রতি জেলায় এক বা একাধিক শিশু আদালত থাকবে। তবে যেসব জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল থাকবে, তা শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবেন। এটি ধারা ১৬ এর সংশোধনী প্রস্তাবনা।

১৮ ধারা সংশোধনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দায়রা আদালত যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, শিশু আদালতও একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।

২৯ ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করে বলা হয়েছে, শিশু আদালতে শিশুর জামিন মঞ্জুর না হলে আদালত জামিন মঞ্জুর না করার কারণ লিপিবদ্ধ করে শিশুকে কোনো প্রত্যায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর আদেশ দেবেন।

বিলে আরও বলা হয়েছে, মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যেই আদালতে নিষ্পন্নাধীন সেই আদালত উদ্দ্যোগ গ্রহণ করে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ‘শিশু (সংশোধন) আইন -২০১৮’ কার্যকর হওয়ার ৯০ কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করবে।তবে উক্ত সময়ের মধ্যে মামলা স্থানান্তর সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে স্থানান্তরকারী শিশু আদালতের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালত আরও ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে।

Share.

Leave A Reply

three × = twenty seven