তৃতীয় বারের মতো ‘স্বাস্থ্যনীতি সংলাপ’ অনুষ্ঠিত

0

সরকারি বেসরকারি সকল স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারকদের সম্বন্নিত প্রচেষ্টায় একটি স্বাস্থ্যকর নগর চিকিৎসার ক্ষেত্র পাওয়া যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. টি এ চৌধুরী।

শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরড্যাপ মিলনায়তনে ‘স্বাস্থ্যনীতি সংলাপ’ এর ‘বাংলাদেশ নগর স্বাস্থ্য ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. টি এ চৌধুরী আরও বলেন, নগর স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, এনজিও এবং এ সংক্রান্ত সকল প্রতিষ্ঠানকে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

সংলাপে স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের কো-অর্ডিনেটর ড. মুশতাক হোসেন, সংলাপে মূল বক্তব্য প্রদান করেন ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ প্রোগ্রামের সহকারী বিজ্ঞানী ও ডেপুটি প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ড. সোহানা শফিক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ ও ইনফরমেটিকস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিস বসে এবং লেখক, সাংবাদিক, স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরাও মতামত পেশ করেন।

মূল বক্তব্যে ড. সোহানা শফিক ও ড. মো. খালেকুজ্জামান বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কেউ যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বাদ না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। গ্রামের তুলনায় শহরের মানুষ স্বাস্থ্য ঝুকিতে বেশি। শহরের মানুষ EPI সুবিধা পায় ৭৭.১ শতাংশ এবং গ্রামের মানুষ পায় ৯৯.৫ শতাংশ। সকল স্বাস্থ্য সেবায় শহর তুলনামূলক পিছিয়ে।

ড. মুশতাক হোসেন বলেন, শহরের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতনতায় পিছিয়ে। গ্রামের মানুষ সরকারি ও এনজিও সেবা বেশি পায়, কিন্তু নগরগুলো সে তুলনায় অবহেলিত।

পুরো সংলাপটির সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ও স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের উপদেষ্টা রোবায়েত ফেরদৌস।

Share.

Leave A Reply

+ sixty seven = seventy three