জেনে নিন ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের অজানা ইতিহাস

0

আহসান হাবীব-

বাংলাদেশের ছোট্ট একটি শহর বগুড়াতে মহাস্থানগড় অবস্থিত। মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরি ইতিহাসে পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচত ছিল।

এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। যিশু খ্রিষ্টের জন্মেরও আগে অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে। ২০১৬ সালে এটি সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা হয়। প্রাচীন এই নগরীরতে রয়েছে বিভিন্ন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সামন্ত রাজাদের রাজধানী ছিল।

তৃতীয় খ্রিষ্টপূর্ব থেকে পঞ্চদশ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অসংখ্য হিন্দু রাজারা রাজত্ব করেন। এরপর ইসলাম ধর্মের শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে আসেন দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) ও তার শীষ্যরা। ধর্ম প্রচারক শাহ্ সুলতান বলখী (রঃ) সম্পর্কে রয়েছে আশ্চর্য কিংবদন্তি। অনেকেই বলেন, তিনি মহাস্থানগড়ে প্রবেশ করার সময় করতোয়া নদী পার হয়েছিলেন একটা বিশাল মাছের আকৃতির নৌকার পিঠে চড়ে।

মহাস্থানগড় পৌছে তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন, প্রথমে রাজা পরশুরামের সেনাপ্রধান, মন্ত্রি এবং কিছু সাধারণ মানুষ ইসলামের বার্তা গ্রহণ করে মুসলিম হয়। এভাবে মহাস্থানগড়ের মানুষ হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকলে রাজা পরশুরামের সাথে শাহ সুলতানের বিরোধ বাধে এবং এক সময় সুলতান বলখী পুন্ড্রনগর শেষ রাজা পরশুরামকে যুদ্ধে পরাজিত করে বর্তমান মহাস্থানগড় কে জয় করেন

Share.

Leave A Reply

÷ one = seven