চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য, কারুপণ্যে জাপানের ইতিহাস

0

কোন দেশ সম্পর্কে সবচেয়ে স্বল্প সময়ে জানার উপায় হলো ঐ দেশের ফুটপাত ও খাবারের দোকানগুলোতে হাঁটাহাঁটি করা।আর সভ্যতা সম্পর্কে জানার উপায় হলো ঐ দেশের লাইব্রেরী এবং জাদুঘরে প্রবেশ করা। তাহলেই অল্প সময়ে মিলবে ঐ জাতির আসল পরিচয়। কোন একটি জাতির উন্নতি বা অগ্রগতি শুধু অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির উপর নির্ভর করে না, বরং সংস্কৃতি কতোটা শক্তিশালী তার উপর নির্ভর করে।

জাপান দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি উন্নত দেশ। এ দেশের শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উপর চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য, কারুপণ্য নিয়ে প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়েছে গত সেপ্টেম্বরে দেশটির জাতীয় জাদুঘরে। জাপানের জাতীয় দৈনিক ‘এনএইচকে’ এর প্রকাশিত পুরো প্রদর্শনীটি তুলে ধরা হলো।

 পরিচিতি

প্রতিটি অনন্য শিল্পকর্মেরই রয়েছে এক একটি চমকপ্রদ কাহিনী, হোক না তা কোন চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য, কারুপণ্য। দর্শককে মোহাচ্ছন্ন করে রাখা সেই অনন্য শিল্পকর্মের যাদুকরী মহিমা কিভাবে কাজ করে, তা বোঝার প্রথম ধাপ হিসেবে শিল্পকর্মটির পেছনের সেই কাহিনী জানা দরকার। এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হচ্ছে টোকিও জাতীয় জাদুঘরের অনন্য সব শিল্পকর্মকে ঘিরে থাকা নানান কাহিনী, যা থেকে এসব শিল্পকর্মের রহস্য জানা সম্ভব।

টোকিও জাতীয় জাদুঘর

১৮৭২সালে প্রতিষ্ঠিত টোকিও জাতীয় যাদুঘর জাপানের সবচেয়ে প্রাচীন সংগ্রহশালা। জাপান তখনও তেমন ধনী দেশ হয়ে ওঠেনি, তবু আধুনিকায়ন প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত করতে জাপান অনেক শক্তি খরচ করে। এর পর থেকে ১৪০ বছরের বেশি সময় ধরে জাদুঘরটি প্রাচ্যের বিভিন্ন জাতির এবং বিশেষ করে জাপানি সংস্কৃতির

প্রতিনিধিত্বকারী শিল্পকর্ম, ঐতিহাসিক দলিলপত্র এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ করে আসছে। জাদুঘরটি এর সংগ্রহে থাকা নিদর্শনগুলোর উপর সমীক্ষা ও গবেষণাও পরিচালনা করে থাকে। এসব নিদর্শন সংরক্ষণ এবং প্রদর্শনের জন্য মেরামতের ব্যবস্থা তারা করে থাকে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডও পরিচালনা করে থাকে। বর্তমানে এর সংগ্রহে রয়েছে এক লক্ষ দশ হাজারেরও বেশি জিনিস।

পাঠকদের জন্য জাপানের জাতীয় দৈনিক ‘এনএইচকে’এ প্রকাশিত নিউজের লিংকটি দেওয়া হলো… 

https://www.nhk.or.jp/japan-art/bn/ 

Share.

Leave A Reply

− one = one