চলে গেলেন কথাসাহিত্যিক শওকত আলী

0

‘কীর্তি মানের মৃত্যু নেই’ কথাটি যেন আবারও প্রমাণিত হলো গত ২৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে কথাসাহিত্যিক শওকত আলী’র তিরোধানের মধ্যদিয়ে। তিনি চলে গেলেন তাঁর অগুনিত ভক্ত ও অনুরাগীদের কাঁদিয়ে, কিন্তু রেখে গেলেন তাঁর মহান কৃতিত্ব। যেগুলো যুগ যুগ ধরে তাঁর অনুরাগীদের দিয়ে যাবে সান্ত্বনা।

শওকত আলী’র জন্ম ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানায়। তিনি ছিলেন একজন বাঙালি কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষক। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে গল্প ও উপন্যাস লিখে খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। ১৯৯০ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

পিঙ্গল আকাশ, অপেক্ষা, প্রদোষে প্রাকৃতজন, গন্তব্যে অতঃপর, উত্তরের খেপ, অবশেষে প্রপাত, জননী ও জাতিকা, জোড় বিজোড়, ওয়ারিশ, বাসর ও মধুচন্দ্রিমা, এমন অসংখ্য উপন্যাস বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের পাঠকদের জন্য রেখে গেলেন।

তাঁর গল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো, উন্মুল বাসনা, লেলিহান সাধ, শুন হে লখিন্দর, বাবা আপনে যান, দিনগুজরান ইত্যাদি।

Share.

Leave A Reply

ninety six − = ninety two