গুরু শিষ্যের সম্পর্ক

0

হাকিম মাহি

বিমল স্যার হিমালয় দেখতে এক সপ্তাহের জন্য নেপালের কাঠমান্ডু বেড়াতে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি রাতে ঘুমাতে পারছেন না। সবকিছু তো ঠিকই আছে। গত মাসে ডাক্তার বাবু রিপোর্ট দেখে বলেছেন, বিমল স্যারের কোন সমস্যা নেই। শুধু একটু বয়োবৃদ্ধ, কিন্তু চিরো যৌবনের আধার। স্কুলের সকল দায়িত্ব তো তিনিই পালন করেন। প্রধান শিক্ষক বলে কথা। স্কুলের দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে এখনো বিয়েই করেননি। তিনি প্রতিমাসে যে কয় টাকা সরকারি মাইনে পান, তার তিন ভাগের দুই ভাগই তাঁর স্কুলের অসহায় ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার জন্য ব্যয় করে ফেলেন। কিছু টাকা রাখেন নিজের দৈনন্দিন খরচ ও দেশ বিদেশ ভ্রমণের জন্য।

একদিন বিমল বাবু ছোট বাচ্চাদের ক্লাস শেষ করে নিচে নেমেছেন একটু হাটাহাটি করার জন্য। স্কুলের পাশেই দেশের একটি বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি দেখলেন, কিছু শিক্ষার্থী এবং তাঁদের শিক্ষকরা একসাথে মিলে চা সিগারেট খাচ্ছেন। আর নীল যৌবনের গল্প করছেন। বিমল বাবু কিছু দিন পরে দেখলেন এই শিক্ষকের গায়ে হাত তুলছেন এই নেশার ভাগীদার শিক্ষার্থীরা। একটা অপসংস্কৃতি কখনও একটি সম্পর্কের মাঝে সুফল বয়ে আনতে পারে না, তা বার বার এভাবেই ফুটে ওঠে বিমল বাবুর স্মৃতিপটে।

এই শীতকালীন ছুটিতে হিমালয়ে ঘুরতে এসে তাঁর কাছে মনে হচ্ছে কঠিন একটা রোগ বাঁধিয়ে নিয়ে গেলেন তিনি। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি ভাবছেন, হয়তো তাঁর জীবন সমাপ্তির পথে। কিন্তু এই অসহায় শিক্ষার্থীদের কি হবে! দিন যতই যাচ্ছে, শিক্ষা-দীক্ষা থেকে শুরু করে সাধারণ সকল কর্মকাণ্ড অর্থের বিনিময়ে চলে আসছে। সকল ক্ষেত্রেই সমানভাবে ব্যবসায়ী লেনদেন চালু হয়ে গেছে। এখন আর পাঠ্য বইয়ের সম্প্রদান কারকের ব্যাবহার নেই। চারদিকে শকুনের মতো রক্ত চক্ষু মেলে তাকিয়ে আছে মানুষরূপী মাংস খেকোর দল।

দেশের রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতির কালো থাবা। খাবারে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত কীটনাশক। হাসপাতালগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নব্য কসাইয়ের দল। প্রশাসনে মিশে আছে আইনি সন্ত্রাসী। ন্যায় বিচারের নামে আদালতগুলো স্বজনপ্রীতির আড্ডা খানায় পরিণত হয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষাঙ্গনগুলোতে তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল সন্ত্রাসী।

গেলো পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহীদ বলেছিলেন, দু’একজন শিক্ষক প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত থাকতে পারে। আর এগুলো বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা। এই কথার সুন্দর একটি জবাব আমাকে কয়েকদিন আগে একজন সাধারণ মানুষ দিয়েছিলেন একটি চায়ের দোকানে আড্ডার সময়। তিনি বলেছিলেন, একটি বেলুনকে ফাটিয়ে দিতে একটি সূচের আঘাতই যথেষ্ট। সারা শরীরে পচন ধরার জন্য একটি ইনফেকশন বা সংক্রমণই যথেষ্ট। তেমনি, একটি দেশ ধ্বংসের জন্য পারমাণবিক বোমা ফাটিয়ে যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। এর জন্য অগোছালো একটি শিক্ষা ব্যবস্থাই যথেষ্ট।

যদি প্রশ্ন করি, আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশ কেন ভিনদেশি সাধারণ বণিকদের দ্বারা শাসিত হয়েছে? তাঁরা তো প্রথমে আমাদের এই ভূখণ্ড শাসন করতে চাননি। তাহলে কেন? অনেক উত্তর আমরা খুঁজে পাবো। তবে, সবচেয়ে প্রণিধানযোগ্য কারণ ছিলো, আমাদের এই উপমহাদেশের মানুষগুলো মূর্খ, ধর্মান্ধ এবং সহজ সরল ছিলো। খুব সহজেই এদের হাত করা যেতো। আর আরেকটি খারাপ চরিত্র ছিলো, আত্ম কেন্দ্রিক স্বার্থ। ব্যক্তির স্বার্থের জন্য এমন কোন জঘন্য কাজ নেই এই জাতি না করতে পারে। তাই, এই দুর্বলতাকে কেন্দ্র করেই সাধারণ বণিকের দল শত শত বছর এই বৃহৎ একটি মহাদেশ শাসন করেছে। ফলে, এখনও দু’একটি ছাড়া বাঙ্গালীর মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় না তাঁদের নিজস্ব কোন সংস্কৃতি।

নিশি রাতে হোটেলের বারান্দায় নিয়ন আলোতে পায়চারী করছেন আর এসব ভাবছেন বিমল স্যার। হঠাৎ মনে পড়ে গেলো তাঁর শিষ্য সুবোধ এর কথা। যদিও তাঁর অনেক শিক্ষার্থীরা সবসময়ই তাঁর খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। কিন্তু আজ এ নীরবতায় সুবোধহীন তাঁকে বড্ড অসহায় মনে হচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে গ্রাম থেকে আসা বাবা মা হীন একটি ছেলে তাঁর স্কুলের পাশেই রুটির দোকানে চাকরি করতো আর তাঁর প্রাইমারি স্কুলে পড়তো। ছেলেটি ঠিক মতো ক্লাস করতে পারতো না। কিন্তু প্রতি রাতে বিমল স্যারের কাছে পড়তে আসতো। বিমল স্যার ছেলেটিকে খুব ভালোবাসতেন। প্রতি ঈদে নতুন জামা কাপড় বানিয়ে দিতেন। পকেট খরচের জন্য কিছু টাকাও দিতেন প্রতি সপ্তাহে।

একদিন বিমল স্যার অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তাঁকে দেখার মতো আপন বলতে তো কেউ নেই। সারা রাত সুবোধ স্যারের সেবাযত্ন করলেন। সকাল বেলা স্যার একটু সুস্থ হয়ে দেখলেন সুবোধ তাঁর মাথার কাছে দাঁড়িয়ে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। যেন মনে হয়েছে, জন্ম দাতা পিতার আরোগ্যে সন্তানের মিনতি।

বিমল স্যারের পিতৃস্নেহে সুবোধ প্রাইমারি, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পড়া শেষ করে রাজধানী শহরের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পাবলিক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগও পেয়েছিলেন সুবোধ। কিন্তু নোংরা ছাত্র রাজনীতিকে ঘৃণা করে ভর্তি হননি সুবোধ এই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ৬৩% ছেলে মেয়েরা এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কিছু যৌক্তিক কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো, (ক) সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বল্প সংখ্যক আসন সংখ্যা, (খ) ছাত্র রাজনৈতিক সন্ত্রাস, (গ) শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটালাইজেশনের অভাব, (ঘ) নোংরা পরিবেশ, (ঙ) অব্যবস্থাপনা। এ সকল কিছুই উন্নত মানসিকতা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের কাছে অপছন্দের প্রথম তালিকায়। আর সুবোধও তাই মনে করেন।

২১ নভেম্বর ২০১৭, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা আছে, জাতির পিতার আদর্শকে আরো বেগবান করতে মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে ছাত্রলীগ স্কুল কমিটি গঠন করার নির্দেশ প্রদান করা হলো। এর পরে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একই নির্দেশ প্রদান করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আজ ছাত্ররাজনীতির জন্য যে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস প্রায়, আবার সেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাধ্যমিক স্কুলের অপ্রাপ্ত বাচ্চাদেরও ধ্বংস করতে চায়। সুবোধের চোখে কান্না দেখে গুরু বিমল দাস বলে উঠলেন, কণ্ঠ তোলো, সোচ্চার হও। তোমাদের শিক্ষাকে অসুস্থ রাজনীতির থাবা থেকে বাঁচাও। কারণ, জাতির পিতা কখনই অসুস্থ রাজনীতির চর্চা করে বেগবান হতে বলেননি। তিনি বলেছেন, ডাকসুর নির্বাচন দিয়ে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চা করা ও ছাত্রদের অধিকার আদায় করা।

একদিন ক্লাসে শিক্ষিকা ম্যাডাম ডুকেই অল্প কিছু সময় পড়ালেন, তারপর শুরু করে দিলেন কোন শিক্ষার্থী কোথায়, কার সাথে পরিণয়ে জড়ালেন। অভয় পেয়ে শিক্ষার্থীরাও ম্যাডামকে আপত্তিকর কথা জিজ্ঞাসা করতে দ্বিধা বোধ করলো না। সুবোধের কাছে মনে হলো, সে কি ক্লাসে আছেন নাকি সহপাঠীদের সাথে গল্পে মজে আছেন! কিছু দিন পরে এই শিক্ষার্থীরাই মা তুল্য শিক্ষিকাকে নিয়ে অশুভ মন্তব্য করতে এতটুকু বাঁধেনি।

বিমল বাবু ভেবে ভেবে আর তাঁর দু’চোখ বেয়ে পানি ঝরছে। ২ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল নীল দলের সাধারণ সভায় প্রোক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীর ওপর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন হামলা চালান বন্দুক বা রাম দাঁ দিয়ে নয়, তার চেয়েও ঘৃণ্য লাথি, কিল, ঘুষি দিয়ে। এটা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের জন্যও শুভকর নয়।

প্রত্যেকটি মানুষের আচরণ দুটি পরিবারের কাছে থেকে পাওয়া। প্রথমটি জন্মের পরে বাবা মা, আর অন্যটি শিক্ষা গুরু। ছোট বেলা যে শিশু বাবা মা’কে গালাগাল দিতে দেখেছে, সমাজে অন্যায় করতে দেখেছে, ঐ শিশু গালাগালকেই পাথেয় করে বড় হবে। কারণ, এটা শিশুর প্রথম শিক্ষাগুরু। তারপর যে শিশু স্কুলে গিয়ে শিক্ষাগুরুকে আসল শিক্ষা ছেড়ে, নেশা পেশার শিক্ষা দেয়া দেখে, এই শিশু শিক্ষা লাভ করে সমাজে মাদকতাই ছড়ায়। আবার শিক্ষকরা ছাত্রদের যখন পুস্তকের শিক্ষা ছাড়া হাতে রাজনীতির লাঠি তুলে দেয়, এই শিক্ষার্থীরাই সমাজে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হয়। তখন শিক্ষাগুরু এমনকি বাবা মা’কেও অপমান বা মেরে ফেলতেও দ্বিধা বোধ করে না এরা। আবার যখন বাবা মা, শিক্ষকরা এই ছেলে মেয়েদের মানবিকতা, শ্রদ্ধাবোধ শেখায়, তখন পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সারা দেশে সুখের ছায়া বয়ে যায়।

সমাজে থাকে না কোন অন্যায়, অবিচার, সন্ত্রাস, দুর্নীতি বা সকল অশুভ কর্মকাণ্ড। কারণ, এই মানুষের ব্রেইন বা আচার আচরণ রোবটের মতো। এরা যা দেখবে, শুনবে, পড়বে, এদের ভেতরে ঐ আচরণ বা দোষ-গুণগুলোই ফুটে ওঠবে। এ কারণে একটা কথা বলে, ‘ব্যবহারে বংশের পরিচয়’। শুধু বংশের পরিচয় নয়, বরং এই ব্যাবহারে সবচেয়ে বেশি পরিচয় মিলে শিক্ষকের পরিচয়। কারণ, সাঁচ যেমন হবে, পণ্যও তেমনই হবে। আর শিক্ষকরা হলেন সমাজের মডেল। এরা ভালো হলে সমাজ, দেশ ভালো হবে। আর শিক্ষকরা খারাপ হলে, সমাজও খারাপ হতে বাধ্য। তাই প্রথমে প্রশিক্ষককেই ভালো গুণ সম্পন্ন হতে হবে।

বাদশাহ আলমগীর একদিন তাঁর ছেলের মক্তবের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখতে পেলেন, তাঁর ছেলে শিক্ষকের পা’য়ে পানি ঢেলে দিচ্ছেন, আর শিক্ষক নিজ হাতে পা ধুয়ে নিচ্ছেন। পরের দিন বাদশাহ মৌলভীকে নিজের কাছে ডেকে পাঠালেন। গুরুজি তো ভঁয়ে রীতিমত কাঁপছেন। কিন্তু বাদশাহ মৌলভীকে শিক্ষকের মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন,

“শিক্ষকে ডাকি বাদশা কহেন, ”শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
বাদশাহ্ কহেন, ”সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।”

কাজী কাদের নেওয়াজ এর ‘শিক্ষকের মর্যাদা’ নামক কাব্যে শিক্ষাগুরুর প্রতি একজন ছাত্রের ভক্তি কতটুকু হওয়া উচিৎ তা ফুটে ওঠেছে মুঘল সম্রাট আলমগীর এর স্বগতোক্তির মধ্যদিয়ে। সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে, ‘বাবা মা বানায় ভূত, আর শিক্ষক বানায় পুৎ’। এ কথাটির মানে এই নয়, যে এখানে পিতা মাতাকে অবমাননা করা হয়েছে। বরং বলা হয়েছে, বাবা মা’র দায়িত্ব হচ্ছে রক্ত মাংসে গড়া একটা মানুষ আকৃতির জীবের জন্ম দেয়া। আর শিক্ষকের দায়িত্ব হচ্ছে, সেটিকে উন্নত চরিত্রের আদলে সামাজিকীকরণ করে গড়ে তোলা। অর্থাৎ দায়িত্বের বিভাজন দেখানো হয়েছে। তার মানে পঞ্চ ইন্দ্রিয় থাকলেই মানুষ হওয়া যায় না। মানুষ হওয়ার জন্য চাই ভক্তি শ্রদ্ধার সম্মিলিত একটি সৎ চরিত্রের সংমিশ্রণ।

আজ বিমল বাবুর সামনে সুবোধ নেই, কিন্তু সুবুদ্ধি আছে। ফলে, সুদূর নেপালে গিয়েও সুবোধের কথা ভুলতে পারেননি। ভালোবাসা তো এমনই হয়। ভালোবাসা মানে এক ঘরে, এক বিছানায় থাকা নয়, আবার দূরে থাকাও নয়। ভালোবাসা মানে, দূরে থাকলে তাঁর নিঃসঙ্গতা অনুভব করা, আর কাছে থাকলে ভালোবাসাকে মর্যাদা দেয়া। সম্পর্কটা হলো একটি শরীরের মতো, সারা অঙ্গ ভালো থাকলে ভালো অনুভব করা, আর কোথাও কোন ক্ষতি হলে ব্যথা অনুভব করা।

লেখক: গণমাধ্যম কর্মী।
hakimmahi2017@gmail.com

Share.

Leave A Reply

− seven = one