কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের স্মরণে 

0

‘আমরা সকলেই পৃথিবীতে কাহাকেও না কাহাকেও ভালবাসি, কিন্তু ভালবাসিলেও বন্ধু হইবার শক্তি আমাদের সকলের নাই। বন্ধু হইতে গেলে সঙ্গদান করিতে হয়।’

গত ৫ আগস্ট (২১ শ্রাবন) ছিল বন্ধু দিবস। বন্ধু নিয়ে লেখা উপরের লাইনগুলোর রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ ২২ শ্রাবন ছিল এই মহান কবির ৭৭ তম প্রয়ান দিবস।

১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে” এই বাটে আর পায়ের চিহ্ন ” ফেলবেন না বলে পরপারে চলে যান তিনি। পেছনে রেখে যান অগনিত শ্রদ্ধা করার মত মানুষ। তার অনুসারী।

কী ছিল না তাঁর মাঝে! কাব্য, সংগীত, প্রবন্ধ, নাটক, উপন্যাস, গল্প, ভ্রমণকাহিনী প্রায় সব জায়গাতেই ছিল তাঁর বিচরণ। সিংহের মত সব বিভাগে তার এই শৈল্পিক বিচরণের কারণেই হয়তো তাঁর ছদ্মনাম হিসাবে তিনি “ভানুসিংহ” ব্যবহার করতেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসংখ্য অর্জনের মাঝে চির অম্লান হয়ে আছে সাহিত্যে তার নোবেল প্রাপ্তি। “গীতাঞ্জলি” এর মাধ্যমে লোকান্তরিত হবার পরেও পুরো পৃথিবীতে সকলের প্রাণে বাস করবেন তিনি।

তাঁর অজস্র কবিতা, গান মাতাল করে রাখে তার ভক্তদের। তিনিই আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রনেতা। তার গানে নির্দিধায় খুঁঁজে পাওয়া যায় সাহস, সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা, নিজ সার্থের বাইরে গিয়ে সকলের মঙ্গল সাধন এবং দুখের সান্ত্বনা।

গত ২২ শ্রাবন সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত হয়েছিল তার সরনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রপ্রয়ান দিবসে ছায়ানট আয়োজন করেছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। এছাড়া দেশীয় বিভিন্ন টিভি চ্যানেল তার সরনে বিভিন্ন নাটক এবং অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে।

চ্যানেল আইতে বেলা ৩ টায় প্রচারিত হয় রবীঠাকুরের ছোটগল্প” নষ্টনির” অবম্বনে নাটক “চারুলতা”। মাছরাঙা টিভিতে প্রচারিত হয় কবিগুরুর “নিস্কৃতি” কবিতা অবলম্বনে নাটক ” অত:পর মঞ্জুলিকা” সহ আরও অনেক নাটক। এছাড়া বিভিন্ন সংগীত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় বিশ্বকবির প্রয়ান দিবস।

Share.

Leave A Reply

ninety ÷ = 15