এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ আম গাছ ঠাকুরগাঁও জেলায়

0

মো. মাহবুব আলম
এই আম গাছটি অবস্থিত ঠাকুরগা্ঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের মন্ডুমুলা গ্রামে। প্রায় ২ বিঘা জমি জুরে এই আমা গাছটি অবস্থিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এশিয়ার সর্ববৃহত্তম এই আম গাছটি। মন্ডুমুলা গ্রামের সুন্দরকে ঘিরে এই গাছ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই গাছের সৌন্দর্য উপোভোগ করতে আসে।

কেউবা আসে বনভোজনে, ছাত্র ছাত্রীরা আসে শিক্ষাসফরে, এমনকি মন্ত্রী, সচিব, হাই কমিশার, প্রধান বিচারপ্রতিসহ জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা এবং বিভিন্ন জেলার অসংখ্য মানুষ বাংলাদেশের ঠাকুরগা্ঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্ত বর্তী হরিণমারী মন্ডুমুলা গ্রামে ছুটে আসে এই বৃক্ষটি দেখতে। আমের মৌসুমে যে আমটি আমরা খুবই পছন্দ করি সেটা হচ্ছে সূর্যপুরী আম। চমৎকার স্বাদ ও সুমিষ্ট ছোট আটি বিশিষ্ট আমটির স্বাদ যিনি একবার পেয়েছেন, তিনিই বার বার ছুটে এসেছেন উত্তরাঞ্চলের এই শান্ত জনপদে। তবে, আমের চেয়েও আজ বেশি বিখ্যাত হয়ে আছে ছবির এই আম গাছটি।

প্রায় ২০০ শত বছর আর ইতিহাসের নিরব স্বাক্ষী, তাকে ঘিরে অনেক পুরোনো স্মৃতি আছে এই আমগাছটি নিয়ে। এই সুন্দর গাছটি দেখলে মনে হয় যেন সাড়ি সাড়ি আম গাছ গাদাগাদি ভাবে জড়িযে আছে। গাছের ডালপালাগুলোর দৈর্য্য ৫০/৬০ হাত, বিরাট জায়গা জুড়ে মাটিতে আসন গেড়ে আছে। সবুজ এই গাছটির ডালপালা অনেক ছিল। কিন্তু ঝড় বৃষ্টি আর আবহাওয়া জনিত কারণে গাছটির ডালপালা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আগে এই আমের সৌন্দর্য আরও বেশি ছিলো।

আসেপাশের ৮/১০ টি গ্রামের যারা বৃদ্ধ তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে সঠিক কোন গাছের ইতিহাস বলতে পারেনা। কেউ বলে, ১৫০ বছর কেউ বলে ২০০ বছর, এখন পর্যন্ত এই গাছের সঠিক তথ্য কেউ দিতে পারেনি, তবে, অনুমান করা যাচ্ছে সবার কথার উপর ভিত্তি করে, প্রায় ২০০ বছর পুরোনো এই আম গাছটি।
আপনার যদি এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ আমগাছটি  দেখার আগ্রহ জন্মে, তাহলে ঠাকুরগা্ঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তে মন্ডুমুলা গ্রামে  আসতে পাড়েন। এখন পর্যন্ত এই গাছটির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে দেশ জুড়ে।

লেখক- এক্সিকিউটিভ, জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

Share.

Leave A Reply

÷ three = 3