ঈদের জন্য চাই বাহারি মসলা

0

সপ্তাহ খানিক বাদেই ঈদুল আজহা। ইতোমধ্যে রমরমা হয়ে পড়েছে মসলার দোকানগুলো। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় কোরবানি ঈদে মসলার চাহিদা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। মসলার বাজারে যার প্রভাব পড়তে দেখা গেছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশকিছু বাজার ঘুরে মসলার দামদর নিয়ে নতুনকিছু ডটকমের এবারের আয়োজন।

মসলার বাজারদর

সব মসলার দাম কেজি অনুযায়ী দেওয়া হলো। জিরা ৪০০ টাকা, ভারতীয় জিরা ৩৮০ টাকা, কালোজিরা ২০০ টাকা, বাদাম ১২০ টাকা, পেস্তা বাদাম ২,০০০ টাকা, কালো গোল মরিচ ১,০০০ টাকা, বড় এলাচ ১,০০০-১,২০০ টাকা, ছোট এলাচ ১,৪০০ টাকা, হলুদ ২০০ টাকা,  লবঙ্গ ১,৪০০ টাকা, লবণ প্রতি কেজি ৩৬-৪০ টাকা টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধনিয়া ১২০ টাকা, কিশমিশ ৩৮০ টাকা, সরিষা ৮০ টাকা, জায়ফল ১২০০ টাকা, দারুচিনি ৩০০ টাকা, তেজপাতা ২০০ টাকা, পাঁচফোড়ন মসলা ১২০ টাকা,  শুকনা মরিচ ১৮০-২০০ টাকা, আলু বোখারা ৫২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা, আমদানি পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা, রসুন ৭০-৮০ টাকা, জয়ত্রী ১,৫০০ টাকা, আদা ১২০ টাকা। তবে আমদানি করা আদা ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ছবি: আশ- সাকির গাজী

ছবি: আশ- সাকির গাজী

ভোজ্য তেলের দাম লিটার প্রতি কিছুটা বেড়েছে। তীর সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৯০টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৫ টাকা। রূপচাঁদা সয়াবিন তেল ৯৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

কাওরানবাজারের হাবিব জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী হাবিব জানান, তার জানা মতে মসলার দাম খুব একটা বেশি বাড়েনি। ঈদ মৌসুমে চাহিদা বাড়ার কারণে দাম কিছুটা বাড়াতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কোনো তথ্য তার কাছে নেই।

ছবি: আশ- সাকির গাজী

ছবি: আশ- সাকির গাজী

কথা হয় কারওয়ান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ইঞ্জিনিয়ার মো. মোছাদ্দেক আলীর সঙ্গে।

তিনি নতুনকিছু ডটকমকে জানান, “বাজার সম্পর্কে ভালো-মন্দ তেমন কিছুই বলা যাচ্ছে না। কারণ এক দোকানের সঙ্গে অন্য দোকানের দামদরে ভিন্নতা রয়েছে। তারা যে যার মতো করে দাম নিচ্ছে। তাই দাম আরও বাড়ার আগেই মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Share.

Leave A Reply

nine × = 18