ইতিদের নির্যাতনের শেষ কোথায়…?

0

নতুন আরও একটি দিনের শুরু। গতকালের কালো রাতটা পাড় করা গেছে ভেবে খুশি হয় ইতি। না হওয়ার কোন কারণ নেই অবশ্য। শ্বশুরবাড়িতে খুব একটা ভালো ব্যবহার যে পায় সে, তা নয়। সবসময় একটা একটা দিন করে বেঁচে আসছে সে গত কয়েক বছর ধরে।

বাবা-মায়ের খুব বেশি কিছু চাওয়ার ছিলো না কখনো। তারা চেয়েছিলেন ইতি সুখী হোক। ইতি সুখী হয়েছে কিনা এই বাড়িতে, সেটা নিয়ে অবশ্য খুব একটা মাথাব্যথা নেই এখন পরিবারের। মেয়ে যতোদিন জামাইয়ের বাড়িতে আছে, ততোদিন ভালোই আছে সে, এমনটাই ভাবেন মা আর বাবা। বলার চেষ্টা করেছে ইতি অনেকবার, লাভ হয়নি। ভোরে ওঠে নামাজের পাটিতে বসলো ও। এটাই কি শেষ নামাজ? আর পারছে না ইতি এভাবে। নিজেকে শেষ করে দিতে ইচ্ছে করে ওর বারবার। ইতির মনে দ্বিধা। এমন সময় পাশে একটা ছোট্ট মুখ এসে উঁকি দেয়- মা!

রাহাত! ইতির একমাত্র সন্তান। রাহাতের হাত ধরে ইতি। না, এবারেও বোধহয় আর কিছু করা হলো না। আবার কালকের জন্য অপেক্ষা। কালকে আবার ভোর হবে, আবার নতুন করে ভাববে ইতি তখন। হাসি মুখে রাহাতকে কোলে তুলে নেয় সে। এটাই সমাজের অনেক ইতিদের নিত্যদিনের সঙ্গী।

Share.

Leave A Reply

seventy two − sixty eight =