আগামী ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস

0

পাটকে বাংলাদেশের সোনালি আঁশ বলা হয়ে থাকে। সে প্রেক্ষিতেই প্রতি বছর উদযাপিত হয়ে থাকে পাট দিবস। আগামী ৬ মার্চ প্রতি বছরের মতো এ বছরেও উদযাপিত হবে জাতীয় পাট দিবস। পাট শিল্পের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িত। বিশ্ব বাজারেও অনেক মুল্য রয়েছে এই পাটের। দেশের সরকার পাটখাতের উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। দেশের সকল জেলা-উপজেলায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় পাট দিবস উপলক্ষে।

পাটজাত পণ্য জনগণের মাঝে আরও বেশি জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে উদযাপিত হয় পাট দিবস। জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে রাষ্টপতি ও প্রধানমন্ত্রী তাদের পৃথক পৃথক বানী প্রদান করবেন।

শিল্প বিপ্লবের সময় ফ্লাক্স এবং হেম্প এর স্থান দখল করে পাটের যাত্রা শুরু। বস্তা তৈরির ক্ষেত্রে পাট এখনও গুরুত্বপূর্ণ। পাটের আঁশের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অন্য অনেক আঁশের সঙ্গে মিশ্রণ করে ব্যবহার করা যায়। টেক্সটাইলঃ প্রচলিত শিল্পে পাটের উল্লেখযোগ্য ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে সুতা, পাকানো সুতা, বস্তা, চট, কার্পেট ব্যাকিং ইত্যাদি। পর্দার কাপড়, কুশন কভার, কার্পেট, ইত্যাদি পাট থেকে তৈরি হয়। গরম কাপড় তৈরীর জন্য উলের সঙ্গে মিশ্রণ করা হয়। কৃষি পণ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি বস্তাবন্দি ও প্যাকিং করার জন্য ব্যাপকভাবে পাট ব্যবহার করা হয়। পাট খড়ি পাট চাষের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ। পাট আঁশের দ্বিগুণ পরিমাণ খড়ি উৎপাদিত হয়। ঘরের বেড়া, ছাউনী এবং জ্বালানী হিসাবে খড়ির ব্যবহার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। পাটের আঁশের বহুমুখী ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী, ওষুধ, রং ইত্যাদি। পাট খড়ি জ্বালানী, ঘরের বেড়া, ঘরের চালের ছাউনীতে ব্যবহার হয়। বাঁশ এবং কাঠের বিকল্প হিসাবে পার্টিকেল বোর্ড, কাগজের মন্ড ও কাগজ তৈরিতেও পাট খড়ি ব্যবহৃত হয়।

Share.

Leave A Reply

− eight = one