‘অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্লাবগুলো বেশ কর্মক্ষম’

0

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহান, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের কো কারিকুলার আক্টিভিটিস এক্সিকিউটিভ। স্টেট ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান বিভিন্ন ক্লাবগুলো। ক্লাবের কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন সোহান। তাঁর সাথে কথা বলেছেন নতুন কিছু.কমের প্রতিনিধি ওয়াজি তাসনিম।

নতুনকিছু.কম: শুভ সকাল। কেমন আছেন?

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ জি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো।

নতুনকিছু.কম: আপনার শিক্ষা জীবন নিয়ে জানতে চাই।

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ আমি স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকেই পড়েছি এবং এখানেই কাজ করছি।

নতুনকিছু.কম: ক্যাম্পাস এবং কর্মক্ষেত্র একই স্থানে হওয়ায় কেমন লাগছে?

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ খুবই ভালো লাগছে। অফিস আওয়ারের বাইরেও কাজ করি। স্টেট ইউনিভার্সিটি আমার কর্মক্ষেত্র মনে হয় না। ঠিক নিজের পরিবারের মতো মনে হয়।

নতুনকিছু.কম: সম্প্রতি আপনি বাংলাদেশ থেকে ৮ম থিয়েটার অলিম্পিক ২০১৮ ইন্ডিয়ায় অংশগ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। এ ব্যাপারে কিছু বলবেন।

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে ৮ম থিয়েটার অলিম্পিক ২০১৮। সেখানে অংশ গ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলাম আমি। এবারের থিয়েটার অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় দিল্লীতে। বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট আটটি দল অংশ গ্রহণ করে। “সুবচন নাট্ট সংসদ” নাম ছিল আমাদের দলটির। “মহাজনের নাও” নাটকটি পরিবেশন করি আমরা। একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’ যেখানে প্রতিটি দলের, প্রতিটি থিয়েটার কর্মির স্বপ্ন থাকে তাদের থিয়েটার কার্যক্রম প্রদর্শণ করার। সে জায়গা থেকেই ভালো লাগার শুরু। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অংশ গ্রহণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

নতুনকিছু.কম: স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্লাবগুলো নিয়ে কাজ করতে কেমন লাগছে?

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ ক্লাবগুলো প্রচুর অ্যাকটিভ। তাই কাজ করতে বেশ ভালো লাগে। কাজের চাপ অনেক, অন্যান্য এক্সিকিউটিভদের মতো ৯-৫টা কাজ না। তবে কাজ খুবই উপভোগ করি। ক্লাবের সাথে জড়িত শিক্ষার্থীদের আগ্রহে কাজ করতে আরও ভালো লাগে।

নতুনকিছু.কম: স্টেট ইউনিভার্সিটির সকল ক্লাবের উন্নতির ক্ষেত্রে কী করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ সহশিক্ষা কার্যক্রম একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ পরিচয়। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন ক্লাবের সর্বপরি উন্নয়ন। ক্লাব গুলোকে আর্থিক ভাবে সহায়তা করা ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করা একান্ত প্রয়োজন। দেখা যায় অনেক শিক্ষার্থী ক্লাবগুলো সম্পর্কে অবগত নয়। সে ক্ষেত্রে ক্লাবগুলোর সাথে নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানো অনেক জরুরী। এখানে প্রসাশনিক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুতবপূর্ণ। ক্লাবের কিছু কার্যক্রম বাড়ানোও একান্ত প্রয়োজন যেমন মিউজিক অ্যান্ড ড্যান্স ক্লাব থেকে আমরা প্রতি বছর একটি কালচারার প্রোগ্রাম আয়োজন করতে পারি। ক্লাবের আয়োজিত বিভিন্ন কম্পিটিশনগুলো জাতীয় পর্যায়ে আয়োজন করা প্রয়োজন।

নতুনকিছু.কম: ক্লাবগুলোর অর্জন সম্পর্কে কিছু জানতে চাই।

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ আমাদের ক্লাবগুলোর অর্জন প্রচুর। আমার মনে হয় অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্লাবগুলো বেশ কর্মক্ষম। যেমন সিনে অ্যান্ড ড্রামা ক্লাবের সর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল আয়োজন, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা হয়েছে এসইউবিডিএসের। এরই মধ্যে আয়োজিত হয়েছে পাঁচটি ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ডিবেট কম্পিটিশন। বসন্ত উৎসব ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে প্রতি বছর।

নতুনকিছু.কম: নতুনদের ক্লাবের প্রতি আগ্রহ কীভাবে বাড়ানো যায়?

মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোহানঃ সিনিয়র শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে জুনিয়রদের আগ্রহ বাড়াতে। ক্লাবের প্রতি অনুপ্রাণিত করতে হবে হবে নতুন শিক্ষার্থীদের।

Share.

Leave A Reply

eight + 1 =